খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।
“ঐক্য–শিক্ষা–প্রগতি” এই মূলনীতি ধারণ করে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম, গুইমারা উপজেলা শাখার উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও একাদশ শ্রেণীর পাঠ্যবই বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে গুইমারার সিন্দুকছড়ি সুকান্ত মহাজন পাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নানা বয়সের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম বাংলাদেশ, গুইমারা উপজেলা শাখার সভাপতি খুমিতা ত্রিপুরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “পিছিয়ে পড়া ত্রিপুরা জাতিকে এগিয়ে নিতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শিক্ষার আলো। ত্রিপুরা কমিউনিটির উন্নয়নে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া কোনো সমাজই উন্নত হতে পারে না। ত্রিপুরা নারীরা আজ প্রশাসন, শিক্ষা, আইন, স্বাস্থ্য ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করছে। শিক্ষার মাধ্যমে এই অগ্রগতি আরও বিস্তৃত হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিন্দুকছড়ি জোনের প্রতিনিধি টুআইসি মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী, জেলা পরিষদের সদস্য প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা, জয়া ত্রিপুরা, এ্যাডভোকেট মঞ্জিলা ঝুমা, সাথোয়াই প্রু চৌধুরী এবং ১৯৯নং বাইল্যাছড়ি মৌজার হেডম্যান ত্রিদ্বীপ নারায়ণ ত্রিপুরা।
শিক্ষার্থীদের হাতে একাদশ শ্রেণীর পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, সুশাসন ও সমাজিক ঐক্য ত্রিপুরা জাতিকে পিছিয়ে পড়া অবস্থা থেকে উত্তরণের পথে এগিয়ে নেবে।
অনুষ্ঠানের শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। আয়োজনটি ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের শিক্ষা-উন্নয়ন ব্যবস্থায় নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করেছে বলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা মন্তব্য করেন।
দেখছি যা বলছি তা
https://dainikalokitopahar.com/